
নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইলে জনতা ব্যাংক এর সাবেক কর্মকর্তা ও বেসপক ফেব্রিক্স এন্ড অ্যাক্সেসরিজ -এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মো: মনিরুজ্জামান জামাল’র ১ম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সাফ অরচার্ড (১১৭ বাড়ি) সোসাইটি টাঙ্গাইল'র আয়োজনে ০৭ আগাষ্ট শুক্রবার বাদ জুমা উক্ত দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা শামসুজ্জামান।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সদর ০৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
এছাড়াও আরোও উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন, জেলা বিএনপি'র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি মোঃ আজগর আলী, টাঙ্গাইল জেলা বাস-মিনি বাস মালিক সমিতির আহবায়ক ও জেলা বিএনপি'র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, জেলা জাসাস এর সাবেক সভাপতি কাজী বজলুর রহমান, প্রয়াত মনিরুজ্জামান জামাল এর বড় ছেলে ছেলে বেসপক ফেব্রিক্স এন্ড অ্যাক্সেসরিজ এমডি নাজমুল হক সৈকত এমডি এবং ছোট ছেলে বেসপক ফেব্রিক্স এন্ড অ্যাক্সেসরিজ এর ডিএমডি নাসিমুল সৌরভ প্রমুখ।
মো: মনিরুজ্জামান জামাল ১৯৮৬ সালে ডিসেম্বরে জনতা ব্যাংক লিমিটেড ইসলামপুর, ঢাকা শাখায় চাকরি জীবন শুরু করেন এবং দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে ২০২১ সালে ৪ মার্চ সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার পদে অবসর গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে তিনি বেসপক ফেব্রিক্স এন্ড অ্যাক্সেসরিজ কোম্পানি লিমিটেড-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৯ আগস্ট শনিবার বিকেল ৩:৪৫ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো: মনিরুজ্জামান জামাল শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পরদিন সকাল ৭টায় সাফ অরচার্ড (১১৭ বাড়ি) সোসাইটিতে প্রথম ও সকাল ৮ টায় গ্রামের বাড়ি বাঘিলে দ্বিতীয় এবং টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় বেবিস্ট্যান্ডে মাদ্রাসা মাঠে সকাল সাড়ে ৯টায় তৃতীয় জানাজা শেষে পাশে কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
ব্যক্তিজীবনে তিনি ১৯৮৫ সালে ২৬ জুলাই নাজমা খাতুনের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তার বড় ছেলে বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ার (টেক্সটাইল) নাজমুল হক সৈকত ও ছোট ছেলে বেসপক ফেব্রিক্স এন্ড অ্যাক্সেসরিজ কোম্পানি লিমিটেডের ডিরেক্টর নাসিমুল হক সৌরভসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্খী রেখে গেছেন। জীবদ্দশায় তিনি বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকান্ডে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন।