
স্টাফ রিপোর্টার : টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার বিপিএম বলেছেন, প্রতিমা বিসর্জন ও আরতির সময় কেউ মদ্যপান করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। টাঙ্গাইল জেলা পূজা উদ্যাপন ফ্রন্ট ও জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের মধ্যে কোনো ধরনের দ্বন্দ্ব রাখা যাবে না। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন করতে হবে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের উদ্যোগে পুলিশ লাইনস্ মাল্টিপারপাস শেডে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পুলিশ সুপার বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো গুজবে কান দেওয়া যাবে না। কিছু মহল দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে অনেক বছর আগের ভিডিও নতুন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এ ধরনের কোনো ভিডিও বা তথ্য চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্বাস না করে জেলা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে আগে সত্যতা যাচাই করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদ্যাপন করতে পারেন। এ বছর দুর্গাপূজায় টাঙ্গাইলে চার স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকবে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা মোকাবিলায় টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে।
মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন শ্রী শ্রী কালীবাড়ীর প্রধান উপদেষ্টা ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সাবেক ট্রাস্টি শ্যামল হোড়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রবিউল ইসলাম পিপিএম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকেরুল মওলা, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ, টাঙ্গাইল জেলা পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক অমল ব্যানার্জি, সদস্যসচিব শংকর সরকার, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ টাঙ্গাইল জেলার সভাপতি চিত্তরঞ্জন সরকার, শ্রী শ্রী কালীবাড়ীর উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিন্দ্র মোহন ঘোষ, সহসভাপতি দুলাল চন্দ্র সাহা, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জীবন কৃষ্ণ চৌধুরী এবং শ্রী শ্রী ছোট কালীবাড়ীর সভাপতি সুভাষ চন্দ্র সরকারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সভায় টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত জেলা পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দও বক্তব্য দেন। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা, হিন্দু ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply