1. online@tangail.tv : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. info@tangail.tv : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  3. admin@tangail.tv : admin :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন

ফারুক হত্যা মামলায় সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতাসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৪ জনের যাবজ্জীবন

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বিএনপি নেতা ও দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক হত্যা মামলায় সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ তিন জনের মৃত্যুদণ্ড ও চার জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের এক লাখ টাকা ও দণ্ডিত যাবজ্জীবনপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এ মামলায় একজনকে খালাস দিয়েছে আদালত।

আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত দায়রা আদালত-১-এর বিচারক মো. ফয়সাল আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সানিয়াত খান বাপ্পা, মো. আজাদ ও মো. শাহজাহান মিয়া। তাদের প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

সেই সাথে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. সুজন, মো. সানোয়ার হোসেন, মো. শফিকুল ইসলাম শফিক এবং রুজবেল ও ইমন। তাদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা পরিশোধ না করলে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

অন্যদিকে, আসামি সঞ্জিত ঘোষের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

আদালতের নথি অনুযায়ী জানা যায়, ২০১৩ সালের ২১ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল মডেল থানায় মামলাটি করা হয়। পরে মামলাটি দায়রা আদালতে বিচারাধীন ছিল। মামলায় মোট আটজন আসামি ছিলেন।

আদালতের রায়ে বলা হয়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামির বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ এবং অন্যদের বিরুদ্ধে হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তবে সঞ্জিত ঘোষের বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্র বা ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ও কয়েকজন যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পলাতক রয়েছেন বলে আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি মোহাম্মাদ সাইদুর রহমান স্বপন। আসামিপক্ষে ছিলেন এ কে এম শামিমুল আকতার শামিমসহ অন্যান্য আইনজীবী।

এবিষয়ে আদালতের পিপি মোহাম্মদ সাইদুর রহমান স্বপন জানান, ফারুক হোসেন টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর এলাকায় ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর ভোরে হাটতে বের হন। আকুরটাকুর বটতলা বাজার এলাকায় পৌঁছালে একদল সন্ত্রাসী তাকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করে। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনার পরদিন তার ছোট ভাই লাভলু মিয়া বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এই অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন করেন মামলার বাদী লাভলু মিয়া। পরে আদালতের নির্দেশে সিআইডি মামলাটি পুনরায় তদন্তের দায়িত্ব পায়। তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিল টাঙ্গাইল সিআইডি আবার অভিযোগপত্র জমা দেন। এ অভিযোগপত্রেও আগের আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। পরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচারিক কাজ শুরু হয়। সমস্ত সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সোমবার বিচারক রায় ঘোষণা করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2019
Design By Raytahost